৪৬৫ টাকার ট্রেনের টিকিট ২ হাজারে বিক্রি - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

রবিবার, আগস্ট ০৯, ২০২০

৪৬৫ টাকার ট্রেনের টিকিট ২ হাজারে বিক্রি


সময় সংবাদ ডেস্ক//
দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে কালোবাজারে। আন্তনগর পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি টিকিটের মূল্য ৪৬৫ টাকা হলেও ১৫শ’ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে কালোবাজারে। 

উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়েই যাত্রীরা চড়া দামে এসব টিকিট কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে করোনার কারণে আন্তনগর ট্রেনের টিকিট সংখ্যা ৫০ শতাংশ। 

পঞ্চগড় থেকে ঢাকামুখী আসন রয়েছে শোভন চেয়ার ৮১টি, এসি চেয়ার ৬টি, স্নিগ্ধা ৮টি। ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকামুখী শোভন চেয়ার ৫৮টি, এসি ৪টি, স্নিগ্ধা ৫টি। দিনাজপুর থেকে ঢাকামুখী শোভন চেয়ার ৯০টি, এসি চেয়ার ৬টি, সিনিগ্ধা ১০টি আসন রয়েছে।

দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সীমিত পরিসরে ট্রেন চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চগড়-ঢাকা রেলপথের জন্য ১টি আন্তনগর ট্রেন চালু করা হয়। রেলের টিকিট অনলাইনে চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খবর পাচ্ছে কালোবাজারিরা। এতে টিকিট আগে থেকেই প্রতিদিন মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কেটে নিচ্ছে তারা। পরে বিভিন্ন কারসাজিতে অতিরিক্ত দামে এসব টিকিট চড়া দামে বিক্রি করছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গন্তব্যের উদ্দেশ্যে প্লাটফর্মে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন শত শত যাত্রী। বেশির ভাগ যাত্রীদের কাছে ট্রেনের টিকেট নেই। যাদের কাছে টিকিট রয়েছে, তারাও কিনেছেন চড়া দামে।

দিনাজপুর শহরের লালবাগ এলাকার রাসেল বলেন, টিকিট যেন সোনার হরিণ হয়ে গেছে, একটা টিকিট কিনেছি ২ হাজার টাকায়। এই টিকিটের মূল্য দেয়া আছে ৪৬৫ টাকা। চাকরি বাঁচানোর তাগিদেই এই টিকিট কিনেছি। 

রিকশাচালক তরিকুল ইসলাম বলেন, অনলাইন কী বুঝি না। এখানে আসার পরে এক টিকিটের দাম কেউ ১৫শ’ টাকা চায় আবার কেউ ২ হাজার টাকা। এত টাকা দিয়ে টিকিট কেনার মতো সাধ্য নেই, তাই ঢাকা যাওয়া বাতিল করে বাড়িতে ফিরে যাচ্ছি।

সদরের ৯ নম্বর আস্করপুর ইউপির রমেশ মণ্ডল বলেন, সব টিকিট কালোবাজারিরা অনলাইনে কিনে রাখে। আমরা কেনার সুযোগই পাই না। শুক্রবার থেকে ঈদের ছুটি শেষ। তাই আমাদের ঢাকায় যেতেই হবে। বাধ্য হয়ে ৪৬৫ টাকার টিকেট ২ হাজার টাকায় কিনলাম।

এ ব্যাপারে দিনাজপুর রেলওয়ে স্টেশন সুপারিনটেনডেন্ট এ.বি.এম জিয়াউর রহমান বলেন, ট্রেনের টিকিট তো অনলাইনে বিক্রি হয়। তাই আমাদের এখন আর কিছু করার নেই। যদি কেউ প্লাটফর্মে এসে টিকিট বিক্রি করে আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেবো।


Post Top Ad

Responsive Ads Here