ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহী মেট্র্র্র্রাপলিটন পুলিশ এর উদ্যোগে টিকটিক বিষয়ে সচেতনা মূলক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
টিকটকের মাধ্যমে সেলিব্রিটি হওয়ার লোভে অজান্তেয় পা দিচ্ছে উর্তি বয়সের তরুণ ও তরুণী।
কিশোর অপরাধের মতো ঘটনা উসকে দিচ্ছে এই টিকটক। দলগতভাবে কিশোর-কিশোরীর চিন্তাভাবনা একই ধরনের। যার ফলে উঠতি বয়সীদের মাদক গ্রহণ, সহিংসতা, ধর্ষণসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ক্রমশয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজশাহী মহানগরীতে এটা হতে দেয়া যাবে না বলে জানান, আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকি।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপরিটন পুলিশ (আরএমপি) এর আয়োজনে এক সংবাদ সমম্মেলনে আরএমপি কমিশনার বলেন, টিকটক ভিডিও তৈরির ফাঁদে ফেলে তরুণীদের ভারতে পাচার করা হচ্ছে। সম্প্রতী বাংলাদেশি এক তরুণীকে ভারতে যৌন নির্যাতন এর ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে টিকটক ভিডিও তৈরির ফাঁদে ফেলে তরুণীদের ভারতে পাচার করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশী রিফাদুল ইসলাম হৃদয় (টিকটক) এবং নারীসহ ০৬জনকে আটক করেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সূত্র থেকে টিকটক ভিডিও তৈরির কারিগরদের আটক করতে অনুসন্ধানী অভিযান পরিচালনা করছে বাংলাদেশ পুলিশ। তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন রাজশাহীতে কোনো টিকটক ভিডিও প্রস্তুতকারী হৃদয়ের জন্ম হতে দেওয়া হবেনা।
এই বিষয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কিশোর-কিশোরীরা তাদের এনার্জি লেখাপড়ার বদলে টিকটকের মতো অ্যাপসে অসক্ত হচ্ছে। এই সকল অ্যাপস ব্যবহারে আইন কোনো বিধিনিষেধ না থাকার কারনে টিকটক অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারি পদক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ বা আইন প্রনয়ন না করা হলে এদশের তরুন,তরনী, কিশোর কিশোরীদের জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে।
তবে কিছু মোবাইল অ্যাপস কিশোর-কিশোরীদের বিপদের দিকে ঠেলে দিতে সাহায্য করছে। অ্যাপসগুলো বন্ধ করার সক্ষমতা রয়েছে বাংলাদেশে টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। এই সংন্থার সাথে সংশ্লিষ্টরা ইচ্ছে করলে অ্যাপস গুলো বন্ধ করতে পারবে। এসকল ভিডিও পোস্ট করার জন্য কেউ সরাসরি ফৌজদারি অপরাধীর মধ্যে পড়ে না। যার কারনে কিশোর-তরুণের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না বলে গনমাধ্যমকে বলেছেন আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকি।

