সরকারি হাসপাতালের সামনে সন্তান প্রসব, এগিয়ে এলেন না ডাক্তার-নার্স - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, জুলাই ২৩, ২০২১

সরকারি হাসপাতালের সামনে সন্তান প্রসব, এগিয়ে এলেন না ডাক্তার-নার্স




সময় সংবাদ ডেস্কঃ

প্রসব ব্যথায় স্ত্রীকে নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী। জরুরি বিভাগে গেলে প্রসূতিকে ভর্তি না নিয়ে সিলেটে নিতে বলেন চিকিৎসক।

পরে স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল ফটকের সামনে এসে অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ করতে থাকেন রেস্তোরাঁ শ্রমিক স্বামী। এ সময় স্ত্রীর প্রসব ব্যথা তীব্র হয়ে উঠলে তাকে ফটকের সামনে দিরাই নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের রাস্তায় নিয়ে যান। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফুটফুটে মেয়ে সন্তান জন্ম দেন তার স্ত্রী।


বৃহস্পতিবার দুপুরে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক সংলগ্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসের প্রবেশপথে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম রাসমিনা। তিনি দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ডুলকর গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী।


ভুক্তভোগীর স্বামী রুবেল মিয়া বলেন, স্ত্রীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। প্রথমে কাউকে পাইনি। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে একজনকে জরুরি বিভাগে পাই। তিনি আমার স্ত্রীকে সিলেট নিয়ে যেতে বলেন। আমি গরিব মানুষ। এত টাকা কোথায় পাবো। এ চিন্তা করে বড় ডাক্তারের খোঁজ করতে থাকি। এ সময় ডাক্তার মনি রাণীকে খুঁজে পেয়ে আমার স্ত্রীর বিষয়ে বলি। তিনি স্ত্রীকে দেখে বলেন- রোগীর অবস্থা ভালো না। তাড়াতাড়ি সিলেট নিয়ে যেতে হবে।


বারবার অনুরোধ করলে বলেন, দোতলায় নিয়ে যেতে। তিনি বলে দেবেন। আমি কোলে করে আমার স্ত্রীকে নিয়ে দোতলায় যাই। সেখানে একজন নার্স ছিলেন। আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। নার্স বলে এখানে রাখলে মা-সন্তান দুজনই মারা যেতে পারে।


রুবেল বলেন, আমার স্ত্রীকে কোনো পরীক্ষাও করা হয়নি। আমি বারবার অনুরোধ করেছি। অন্তত দুই ঘণ্টা আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে রাখতে। কিন্তু তারা রাখেনি। তাদের কথায় ভয়ে নিরুপায় হয়ে সিলেট যাওয়ার জন্য বের হই। হাসপাতালের গেটের সামনে যাওয়ার পর ব্যথা সহ্য করতে পারছিল না আমার স্ত্রী। রাস্তার পাশের অফিসের নিচে নিয়ে গেলে সঙ্গে থাকা আমার মা ও আরেকজন নারীর সহযোগিতায় কাপড় দিয়ে পর্দা বানিয়ে আমার স্ত্রী কিছু সময়ের মধ্যে মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়।


তিনি আরো বলেন, এটি আমার প্রথম সন্তান ছিল। পরে আমি হাসপাতালে গিয়ে একজন নার্সকে ঘটনা বললে তিনি ওই অফিসের বারান্দায় এসে আমার স্ত্রী সন্তানকে দেখে যান। মা ও মেয়ে সুস্থ আছে এবং তাদের বাড়ি নিয়ে যান।


আক্ষেপ করে রুবেল মিয়ার সঙ্গে থাকা তার ছোট ভাই জাহিদুল বলেন, ‘হাসপাতালে যা দেখলাম বলার ভাষা নাই। যাদের টাকা আছে তাদের হাসপাতাল আছে। যাদের টাকা নাই তাদের কিছু নেই।’


এ বিষয়ে জানতে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মনি রাণীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। ঘটনার সময় নিজের সিলেটের বাসায় ছিলেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্যপ্রসব ব্যথায় স্ত্রীকে নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী। জরুরি বিভাগে গেলে প্রসূতিকে ভর্তি না নিয়ে সিলেটে নিতে বলেন চিকিৎসক।

পরে স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল ফটকের সামনে এসে অ্যাম্বুলেন্সের খোঁজ করতে থাকেন রেস্তোরাঁ শ্রমিক স্বামী। এ সময় স্ত্রীর প্রসব ব্যথা তীব্র হয়ে উঠলে তাকে ফটকের সামনে দিরাই নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের রাস্তায় নিয়ে যান। কয়েক মিনিটের মধ্যেই ফুটফুটে মেয়ে সন্তান জন্ম দেন তার স্ত্রী।


বৃহস্পতিবার দুপুরে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক সংলগ্ন উপজেলা নির্বাচন অফিসের প্রবেশপথে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম রাসমিনা। তিনি দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ডুলকর গ্রামের রুবেল মিয়ার স্ত্রী।


ভুক্তভোগীর স্বামী রুবেল মিয়া বলেন, স্ত্রীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। প্রথমে কাউকে পাইনি। অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করে একজনকে জরুরি বিভাগে পাই। তিনি আমার স্ত্রীকে সিলেট নিয়ে যেতে বলেন। আমি গরিব মানুষ। এত টাকা কোথায় পাবো। এ চিন্তা করে বড় ডাক্তারের খোঁজ করতে থাকি। এ সময় ডাক্তার মনি রাণীকে খুঁজে পেয়ে আমার স্ত্রীর বিষয়ে বলি। তিনি স্ত্রীকে দেখে বলেন- রোগীর অবস্থা ভালো না। তাড়াতাড়ি সিলেট নিয়ে যেতে হবে।





বারবার অনুরোধ করলে বলেন, দোতলায় নিয়ে যেতে। তিনি বলে দেবেন। আমি কোলে করে আমার স্ত্রীকে নিয়ে দোতলায় যাই। সেখানে একজন নার্স ছিলেন। আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। নার্স বলে এখানে রাখলে মা-সন্তান দুজনই মারা যেতে পারে।


রুবেল বলেন, আমার স্ত্রীকে কোনো পরীক্ষাও করা হয়নি। আমি বারবার অনুরোধ করেছি। অন্তত দুই ঘণ্টা আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে রাখতে। কিন্তু তারা রাখেনি। তাদের কথায় ভয়ে নিরুপায় হয়ে সিলেট যাওয়ার জন্য বের হই। হাসপাতালের গেটের সামনে যাওয়ার পর ব্যথা সহ্য করতে পারছিল না আমার স্ত্রী। রাস্তার পাশের অফিসের নিচে নিয়ে গেলে সঙ্গে থাকা আমার মা ও আরেকজন নারীর সহযোগিতায় কাপড় দিয়ে পর্দা বানিয়ে আমার স্ত্রী কিছু সময়ের মধ্যে মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়।


তিনি আরো বলেন, এটি আমার প্রথম সন্তান ছিল। পরে আমি হাসপাতালে গিয়ে একজন নার্সকে ঘটনা বললে তিনি ওই অফিসের বারান্দায় এসে আমার স্ত্রী সন্তানকে দেখে যান। মা ও মেয়ে সুস্থ আছে এবং তাদের বাড়ি নিয়ে যান।


আক্ষেপ করে রুবেল মিয়ার সঙ্গে থাকা তার ছোট ভাই জাহিদুল বলেন, ‘হাসপাতালে যা দেখলাম বলার ভাষা নাই। যাদের টাকা আছে তাদের হাসপাতাল আছে। যাদের টাকা নাই তাদের কিছু নেই।’


এ বিষয়ে জানতে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মনি রাণীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। ঘটনার সময় নিজের সিলেটের বাসায় ছিলেন দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বাধীন কুমার দাস। কর্মকর্তা ডা. স্বাধীন কুমার দাস।

Post Top Ad

Responsive Ads Here