সময় সংবাদ ডেস্ক্ঃ
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণের ছয়খণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার তিনজনের মধ্যে আসামি রবিউল ইসলাম রবি ও মো. আ. রহিম বাদশা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার ঢাকার দুই সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। একই সঙ্গে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আশরাফ উজজামান অপর আসামি মো. আবু মোতালেবের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় আসামি রবিউল ইসলাম রবি ও মো. আ. রহিম বাদশা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হাসান আসামি রবিউল ইসলাম রবির এবং ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান শিকদার আসামি রহিম বাদশার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অপর আসামি আবু মোতালেবের সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার মধ্যরাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, আশুলিয়া এবং গাইবান্ধা থেকে তাদের গ্রেফতার করে র্যাব। এরপর তাদের নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও তৎসংলগ্ন এলাকা এবং আশকোনায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। এসময় রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকা থেকে ভুক্তভোগীর দেহের পাঁচটি খণ্ডিত অংশ এবং পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত শাবল ও জামাকাপড় উদ্ধার করা হয়।

