চার মাস পর খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন মৃত্যু - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১২, ২০২১

চার মাস পর খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন মৃত্যু


 

জেলা প্রতিনিধিঃ


গত চার মাস পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে খুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

তবে মৃত রোগী নড়াইল জেলায় বসবাসকারী। ফলে খুলনা জেলায় বসবাসকারী কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি আজ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর চলতি বছরের ১ এপ্রিল খুলনায় মাত্র একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এরপর গত ৮ আগস্ট খুলনার দুটি হাসপাতালে দুই নারীর মৃত্যু হয়।


খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নড়াইলের লোহাগড়ার অন্তরা নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১৯ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৪৬ জন, ইয়ালো জোনে ৪০ জন, আইসিইউতে ২০ জন এবং এইচডিইউতে ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ জন।


খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৩১ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হন দুজন।


খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২০ জন। তার মধ্যে ৯ জন পুরুষ আর ১১ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।


খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। হাসপাতালে ৪৬ জন ভর্তি রয়েছেন। আইসিইউতে চিকিৎসায় রয়েছেন ১০ এবং এইচডিইউতে ২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ জন।


গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩১ জন। আইসিইউতে ৩ জন এবং এইচডিইউতে ৪ জন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন।

Post Top Ad

Responsive Ads Here