কোকোর জন্মদিনে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ নিয়ে সমালোচনা - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, আগস্ট ১৩, ২০২১

কোকোর জন্মদিনে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ নিয়ে সমালোচনা


 


সময়  সংবাদ ডেস্কঃ


বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে তার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তবে এ সময় তার পাশে বিএনপির অন্য কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। 

দলীয়ভাবে বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে কোকোর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং দোয়া ও মোনাজাত করা হলেও রিজভীর একা যাওয়ার কারণ কী? বিষয়টি নিয়ে বিএনপির মধ্যেই শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।


জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বনানীর কবরস্থানে রিজভী একাই গিয়ে কোকোর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিশেষ মোনাজাত করেন। পরে দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরের নেতাদের নিয়ে কোকোর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


সূত্র জানায়, দলে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে রুহুল করির রিজভীর দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো। নেতাদের সঙ্গে না গিয়ে রিজভীর একা যাওয়ার পেছনেও এ দ্বন্দ্ব কাজ করেছে বলে জানা গেছে। 

করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত চার মাস রাজনীতিতে এক রকম নিষ্ক্রিয় ছিলেন রিজভী। এ সময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইউনিটে নিজের অনুগতদের বসিয়েছেন ফখরুল। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে। দীর্ঘদিন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন রিজভী।


তবে তার অসুস্থতার সুযোগে জায়গাটি দখল করে নিজের অনুসারীকে বসিয়েছেন ফখরুল। আর রিজভী সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছেন এ কারণেই। ফলে সুস্থ হয়ে উঠে যেভাবেই হোক হারানো জায়গা ফিরে পেতে উঠেপড়ে লেগেছেন রিজভী। ফলে মির্জা ফখরুল যেখানে থাকবেন, সেখানে রিজভী যাবেন না বলেও প্রতিজ্ঞা করেছেন।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, দলের মধ্যে ঐক্য বাড়ানো এখন সবচেয়ে জরুরি। আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে, নানা চাপে আছি। এর মধ্যে দুই সিনিয়র নেতা যদি নিজেদের বলয় তৈরি করা নিয়ে দলে বিভক্তি আরো বাড়ান, সেটা বিএনপির জন্য ক্ষতিকর। দলের হাইকমান্ডের উচিত, দুই সিনিয়র নেতাকে নিয়ে বসে এ সমস্যার সমাধান করা। নয়ত এ দ্বন্দ্বের ফলে আরো ভুগবে বিএনপি।

Post Top Ad

Responsive Ads Here