সময় সংবাদ ডেস্কঃ
অসুস্থতা কাটিয়ে প্রায় সাড়ে ৬ মাস পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। দীর্ঘ সময় পর বুধবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন রিজভী।
এর আগেও দুইবার তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওই সময় অফিসে প্রবেশ করেননি রিজভী। অনুষ্ঠান শেষ করেই সোজা বাসায় চলে যান।
গত ১৬ মার্চ করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর দীর্ঘদিন স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন রিজভী। করোনায় তার ফুসফুস মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে দীর্ঘ সময় আইসিইউতেও চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
গত ৯ মে করোনামুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন রিজভী। তখন থেকে বাসায় অবস্থান করেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন বিএনপির বর্ষীয়ান এ নেতা।
এদিকে রিজভী করোনা পজিটিভ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে। তবে বুধবার রিজভী অফিসে যাওয়ায় দফতরের দায়িত্ব পালন নিয়ে দলের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কে দফতরের দায়িত্ব পালন করবেন?
এ ব্যাপারে এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, রুহুল কবির রিজভী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত আমি দফতরের দায়িত্ব পালন করবো, একথা চিঠিতেও উল্লেখ ছিল। আর আজও উনার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। উনি দ্বিতীয় তলায় বসেছেন। আর আমাকে আরো তিন থেকে চার দিন দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেছেন।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরা বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর দূরদর্শিতার অভাবেই বিএনপির আজ এ বেহাল দশা। সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে দলটি দিন দিন রাজনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে দেউলিয়ার দিকে যাচ্ছে।
তারা বলেন, এ দলের রাজনৈতিক বেহাল দশার একমাত্র কারণ দলীয় কোন্দল। দলের মধ্যে দুই ভাগের একটি পক্ষে রয়েছে ‘ভাইয়ার’ (তারেক রহমান) অনুসারীরা এবং অপরপক্ষে খালেদা জিয়ার। আর এ দুই অনুসারীদের আধিপত্য বিস্তারে বিপর্যস্ত বিএনপি।
