বাকৃবিতে ট্রেন থামানোর দাবি শিক্ষার্থীদের - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২২

বাকৃবিতে ট্রেন থামানোর দাবি শিক্ষার্থীদের

 

বাকৃবিতে ট্রেন থামানোর দাবি শিক্ষার্থীদের
বাকৃবিতে ট্রেন থামানোর দাবি শিক্ষার্থীদের



নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থাকলেও সেখানে থামে না কোনো ট্রেন। কয়েক বছরের পরিক্রমায় টিকিট কাউন্টার ও সিগন্যাল ইউনিটটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়েই দিব্যি ঢাকা-ময়মনসিংহগামী ১৫টির বেশি ট্রেন চলাচল করে। রেল কেন থামে না তার কারণও অনেকেরই অজানা। 

ইমতিয়াজ আবির (ভিপি, ভেটেরিনারি অনুষদ ছাত্র সমিতি): বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্ল্যাটফর্ম। আশির দশকেও জমজমাট ছিলো এই প্ল্যাটফর্ম, তখন এই প্ল্যাটফর্মে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী সকল ট্রেন থামতো। তখন শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একটি নির্ভরযোগ্য বাহন ছিলো ট্রেন। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এই প্ল্যাটফর্মটিতে বর্তমানে দু একটা লোকাল ট্রেন ব্যতীত আর কোন ট্রেন থামে না। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যেখানে এই প্ল্যাটফর্মের সুযোগ সুবিধা বাড়ার কথা ছিলো, সেখানে উল্টো এই প্ল্যাটফর্মটি এখন দর্শনার্থীদের ছবি তোলার স্থানে পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ চাইলেই শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বাকৃবি স্টেশনটি সচল করতে পারে।


মুরাদ মুরশেদ (জিএস, ভেটেরিনারি অনুষদ ছাত্র সমিতি): বাকৃবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবিগুলোর অন্যতম পুরাতন একটি দাবি হচ্ছে বাকৃবিতে পূর্ণাঙ্গএকটি রেলস্টেশন স্থাপন। বাকৃবির ভিতর দিয়ে ঢাকার সাথে সরাসরি রেল যোগাযোগ থাকার পরেও জরুরি প্রয়োজনে ট্রেন ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। 


শাহেদ হোসাইন (জিএস, কৃষি অনুষদ): এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার ছাত্রছাত্রী সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও ময়মনসিংহ-ঢাকাগামী ট্রেনে যাতায়াত করেন। বর্তমানে এই রুটের মহাসড়কের জ্যাম এবং রাস্তার বেহাল দশার জন্য ছাত্রছাত্রীরা বাসের বিকল্প হিসেবে ট্রেনে যাতায়াত পছন্দ করেন। তবে ইদানিং প্রায় সকল চাকরি পরীক্ষা ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়ায় ট্রেনের উপর আমরা ছাত্রছাত্রীরা আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। তবে ভোরের ট্রেনে উঠার জন্য আমাদের গভীর রাতে ময়মনসিংহ স্টেশনে যেতে হয়, যেটা আমাদের ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার দূরে। পথমধ্যে প্রায়শই হয়ে যাওয়া ছিনতাই এবং বিশেষ করে এতো রাতে মেয়েদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমাদের প্রধান সমস্যার আলোচ্য বিষয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম থাকলেও সেখানে থামে না কোনো ট্রেন। কয়েক বছরের পরিক্রমায় টিকিট কাউন্টার ও সিগন্যাল ইউনিটটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়েই দিব্যি ঢাকা-ময়মনসিংহগামী ১৫টির বেশি ট্রেন চলাচল করে। রেল কেন থামে না তার কারণও অনেকেরই অজানা। 

ইমতিয়াজ আবির (ভিপি, ভেটেরিনারি অনুষদ ছাত্র সমিতি): বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্ল্যাটফর্ম। আশির দশকেও জমজমাট ছিলো এই প্ল্যাটফর্ম, তখন এই প্ল্যাটফর্মে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গগামী সকল ট্রেন থামতো। তখন শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একটি নির্ভরযোগ্য বাহন ছিলো ট্রেন। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এই প্ল্যাটফর্মটিতে বর্তমানে দু একটা লোকাল ট্রেন ব্যতীত আর কোন ট্রেন থামে না। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যেখানে এই প্ল্যাটফর্মের সুযোগ সুবিধা বাড়ার কথা ছিলো, সেখানে উল্টো এই প্ল্যাটফর্মটি এখন দর্শনার্থীদের ছবি তোলার স্থানে পরিণত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ চাইলেই শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে বাকৃবি স্টেশনটি সচল করতে পারে।


মুরাদ মুরশেদ (জিএস, ভেটেরিনারি অনুষদ ছাত্র সমিতি): বাকৃবির সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবিগুলোর অন্যতম পুরাতন একটি দাবি হচ্ছে বাকৃবিতে পূর্ণাঙ্গএকটি রেলস্টেশন স্থাপন। বাকৃবির ভিতর দিয়ে ঢাকার সাথে সরাসরি রেল যোগাযোগ থাকার পরেও জরুরি প্রয়োজনে ট্রেন ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে না শিক্ষার্থীরা। 


শাহেদ হোসাইন (জিএস, কৃষি অনুষদ): এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার ছাত্রছাত্রী সপ্তাহে অন্তত একবার হলেও ময়মনসিংহ-ঢাকাগামী ট্রেনে যাতায়াত করেন। বর্তমানে এই রুটের মহাসড়কের জ্যাম এবং রাস্তার বেহাল দশার জন্য ছাত্রছাত্রীরা বাসের বিকল্প হিসেবে ট্রেনে যাতায়াত পছন্দ করেন। তবে ইদানিং প্রায় সকল চাকরি পরীক্ষা ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়ায় ট্রেনের উপর আমরা ছাত্রছাত্রীরা আরো বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। তবে ভোরের ট্রেনে উঠার জন্য আমাদের গভীর রাতে ময়মনসিংহ স্টেশনে যেতে হয়, যেটা আমাদের ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৫-৬ কিলোমিটার দূরে। পথমধ্যে প্রায়শই হয়ে যাওয়া ছিনতাই এবং বিশেষ করে এতো রাতে মেয়েদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমাদের প্রধান সমস্যার আলোচ্য বিষয়।

মোঃসাইফুল্লাহ /সময় সংবাদ

Post Top Ad

Responsive Ads Here