লক্ষ্মীপুরে উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আাদায়ের অভিযোগ | সময় সংবাদ |
সোহেল হোসেন ,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন করতে এসে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার।গুনতে হয় সরকার নির্ধারিত ফি" র চাইতে কয়েকগুণ বেশি টাকা। এই নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এমন ঘটনা ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের নিত্য দিনের। ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেন্টারের মো: আরিফুর রহমান বাবুর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পরিষদের তথ্যকেন্দ্রকে পুঁজি করে অনৈতিক ভাবে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।
সরকার জন্ম সনদ, মৃত্য সনদ বাধ্যতা মূলক করায় সাধারণ মানুষ এখন ইউনিয়ন পরিষদে ধর্ণা দিতে হয়। এই সুযোগে কাগজ পত্রের অসংগতি দেখিয়ে মানুষ কে জিম্মি করে তথ্য সেন্টারের বিপ্লব, ও তার লোকজন হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক লাখ টাকা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ১৫ জন সেবা প্রত্যাশী সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসে আছে। কেউ ১এক মাস আগে, কেই ১৫ দিন আগে কাগজপত্র জমা দিলেও এখনো জন্মনিবন্ধন করতে পারেন নি। আবার অনেকের জন্মনিবন্ধনে ইচ্ছে করে ভুল করে বাড়তি টাকার জন্য হয়রানি করছে।
সেবা প্রত্যাশি বানু বেগম জানান, তার মেয়ের জন্মনিবন্ধন করতে আসছেন তিনি। ৩তিন মাস আগে কাগজপত্র জমা দিয়ে আজকে পেলেন তাও চেয়ারম্যান এবং সচিব নাই, তাদের সহি নিতে পারি নাই। এজন্য তাকে ২০০,দুইশত টাকা দিতে হয়ছে। আজকে আবার আরেক জনের জন্য ২০০,দুইশত টাকা জমা দিয়েছেন।
জন্ম নিবন্ধ অনলাইন করতে এসে অনেকেই ৩তিন চারমাস ধরে ঘুরছেন। অভিযোগ আছে বিপ্লব অনেকের থেকে জন্মনিবন্ধন বাবত ৪চার/৫পাঁচ হাজার টাকাও আদায় করছেন। এই বিষয়ে তথ্য সেন্টারের কর্মী জানায়, অতীতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হলেও এখন নেই না। বিদ্যুৎ নেই, তাই কাজ করতে পারি না।
এই বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল হাসান রণির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমান উদ্যোগতা অনেক অনিয়ম ও অতিরিক্ত টাকা আদায় করছেন। তার অপকর্মের দায় আমরা কেন নিবো? উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার অপকর্মের সম্পর্কে জানেন।অচিরেই তাকে বহিষ্কার করা হবে।
