
"‘খুব আশা কইরা নিজে না খাইয়া ‘ময়না’রে খাওয়াইছি’ | সময় সংবাদ"
নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ময়না নামের ২০ মণ ওজনের একটি ষাড় গরু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন খামারি আব্দুস সালাম।
ঈদের মাত্র আর কয়েক দিন বাকী আছে। এখন পর্যন্ত ময়নার ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও তিনি ময়নার দাম হাঁকাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা।
জানা গেছে, উপজেলার সীমান্তবর্তী পোড়াগাঁও ইউপির বুরুঙ্গা মধ্যপাড়া গ্রামের খামারি আব্দুস সালাম কোরবানির পশুর চাহিদা মেটাতে নিজস্ব একটি খামার গড়ে তুলেন। গত দুই বছর ধরে নেপালি জাতের ৮০০ কেজি ওজনের ময়না ও শাহী ওয়াল জাতের ৪৪০ কেজি ওজনের রবিসহ ৪টি ষাড় গরু লালন পালন করছেন তিনি।
ক্ষুদ্র খামারি আব্দুস সালাম বলেন, ‘খুব আশা কইরা নিজে না খাইয়া ময়নারে খাওয়াইছি। গত দুই বছরে নিজের পরিশ্রম ছাড়াও তার পেছনে খরচ অইছে প্রায় ৩ লাখ টাকা। এহন এই ষাড়টিকে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকা বেচতে না পারলে পথে বসন লাগবো। কিন্তু এহন পর্যন্ত ময়নার দাম অইছে মাত্র আড়াই লাখ টাকা। সৌখিন ক্রেতা পাইলে নিজ বাড়ি থেকেই ময়নাকে বিক্রি করতে চাই।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্র জানায়, নালিতাবাড়ীতে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি নেই। চাহিদা মেটাতে ৯ হাজার ৮৮৭টি পশুর বিপরীতে ১০ হাজার ৩৮৯টি পশু প্রস্তুত আছে। তবে খামারিরা বলছেন, পশু খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এসব পশুর উৎপাদন খরচ পড়েছে বেশি। তাই ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
