সাফ জয়ী নারী ফুটবলার রুপনার ঘর নির্মান কাজের উদ্বোধন | সময় সংবাদ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, নভেম্বর ০৪, ২০২২

সাফ জয়ী নারী ফুটবলার রুপনার ঘর নির্মান কাজের উদ্বোধন | সময় সংবাদ

 

সাফ জয়ী নারী ফুটবলার রুপনার ঘর নির্মান কাজের উদ্বোধন | সময় সংবাদ

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক প্রথমবারের মতো নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী হওয়া বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সেরা গোলরক্ষক রূপনা চাকমার বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভূঁইয়াদাম এলাকায় রূপনা চাকমার বাড়ি নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন, নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফজলুর রহমান।


বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফল্যের পর মিষ্টি, ফল, ফুল ও নগদ অর্থ নিয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা ও রুপনা চাকমার বাড়িতে যান রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এসময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সাফ জয়ী সেরা গোল রক্ষক রুপনার জরাজীর্ণ বাড়ির ছবি ভাইরাল হয়। 


বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে এলে তারই ধারাবাহিকতার দেশ সেরা গোল রক্ষক রুপনার বাড়ি নির্মানের নির্দেশ দেন সয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ বরাদ্দকৃত সেরা গোলরক্ষক রূপনা চাকমার বাড়ি নির্মান কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।


এসময় নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলুর রহমান বলেন, অনুমোদিত ড্রয়িং ও বাজেট অনুযায়ী রুপনা চাকমার ঘর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। যাতে দ্রুততার সাথে মানসম্পন্ন বাড়ি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। 


অন্যদিকে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী আবদুল মাজিদ বলেন, ঘরের কাজ আগামী দুই মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে। ঘরটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৫৫ টাকা।


উল্লেখ্য, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ভূঁইয়াদাম এলাকার মেয়ে "নারী সাফ চ্যাম্পিয়ন" দলের শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক রুপনা চাকমা। জম্মের আগে তাঁর বাবা গাছা মনি চাকমা মৃত্যুবরণ করেন। বাবার দেখা না পেলেও নিজেকে গড়ে তুলতে কখনও আত্মবিশ্বাস হারায়নি সে। দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক হওয়ায় তিনি এখন বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে। তাঁর খেলা ও অর্জন দেখে গ্রামের মানুষও বেশ খুশি। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত সারা বাংলাদেশের মানুষ। পার্বত্য জেলার মেয়েদের এমন অর্জন দেখে তাঁদেরকে সংবর্ধনা দেয় প্রশাসন ও সাধারণ জনতা। 


Post Top Ad

Responsive Ads Here