এক বৃদ্ধাকে মানবিক সহায়তা দিল স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ০৪, ২০২৪

এক বৃদ্ধাকে মানবিক সহায়তা দিল স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস

এক বৃদ্ধাকে মানবিক সহায়তা দিল স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস
এক বৃদ্ধাকে মানবিক সহায়তা দিল স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস


মোঃ হাবিবুর রহমান , কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:

কুষ্টিয়া জেলার আলামপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের অসহায় গরিব বৃদ্ধ মহিলা গৌরি রানী দত্তকে মানবিক সহায়তা দিলেন কুষ্টিয়া পল্লীবিদ্যুত সমিতির স্বস্তিপুর জোনাল অফিস। 


আজ ৪ জানুয়ারী ২০২৪ ইং বৃহস্পতিবার বেলা ১১ঃ৩০ মিনিটে আলামপুর স্কুল পাড়ার মৃত মাধব চন্দ্র দত্তের স্ত্রী গৌরি রানী দত্ত (৬৬) কে স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানবিক সহায়তা প্রদান করেন ,নতুন চৌকি, লেপ,তোষক,কমড চেয়ার, শুকনো খাবার, ত্রিপল ২টা,ডিম , নগদ টাকা , চাল-ডাল,তৈল, আলু,পিয়াজ, তরিতরকারী,গায়ের কোর্ট,মাথার ।টুপি,গলার মাফলার, মুজা, মশারী,শীতের পোষাক,ফলমূল, সাবান-শ্যাম্পু । 


এসময় উপস্হিত স্বস্তিপুর পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস কুষ্টিয়ার ডিজিএম মোহাম্মদ খায়রুল বাসার ভূঁইয়া - দৈনিক আজকালের খবর , ডেইলি প্রজেন্ট টাইমস ও কুষ্টিয়া টিভি’র প্রতিনিধিকে বলেন, আমার জোনাল অফিস এলাকায় যে কোন ধরনের দুঃস্থ্য ও অসহায়দের মানবিক সেবাদানের জন্য আমরা বদ্ধপরিকর ।যখন আমাকে কোন অফিস সদস্য সাহায্যের দেওয়ার জন্য বলেন তখনই জরুরী তদন্ত শেষে অফিসের সকলের বেতনের সামান্য টাকার সহযোগিতা নিয়েই মানবিক সেবা প্রদান করার চেস্টা করি।


 সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সালেকুর রহমান বলেন, মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনে জন্য,একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু । ভূপেন হাজারিকার সেই বিখ্যাত গানের সাথে তাল মিলিয়ে মানবিক সেবা চালিয়ে যাবার জন্য সকলের দুয়া কামনা করেন। 


ই সি শাহ মোহাম্মদ তোছাদ্দেকুর রহমান বলেন ,আমি প্রথমে তার বাড়ীতে যাই বিদ্যুত বিল বাকী থাকার কারনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে কিন্তু আমি দেখি একটা টিনের ঘরের খোলা বারান্দায় মাটিতে কাপড় মোড়ানো ১ বৃদ্ধ মহিলা শীতে কাতরাচ্ছে, পরে ঘটনা শুনেই আমার মনে হল আমার ডিজিএম স্যারকে জানালে অবশ্যই ভালো সমাধাধান হবে । তাই আজ আমাদের সকলের পকেটের টাকা তুলে উপরোক্ত মানবিক সেবা দেওয়া হয় ।ড্রাইভার জহরুল ইসলাম, অফিস সহায়ক শিশির বরন ইসলাম ও ফারুক হোসেন।


 মৃত মাধব চন্দ্র দত্ত ও গৌরি রানী দত্তের ৪ মেয়ে অভাবের তাড়নায় ভারতে যেয়ে বিয়ে করে সংসার করছে । আর ২ ছেলের মধ্যে ছোট ছেলে অনেক টাকা ধার-দেনা করে জীবন বাঁচাতে বাড়ী ছাড়া।বড় ছেলের সংসারে বউ , ১ মেয়ে ,১ছেলে ও বৃদ্ধ মা । দৈনিক আজকালের খবর , ডেইলি প্রজেন্ট টাইমস ও কুষ্টিয়া টিভি’র প্রতিনিধি’কে তপন দত্ত (৪০) বলেন, ভাই আমার মেয়ে ও ছেলে স্কুলে পড়ে , আমার বৌ বাড়ীতে সামান্য মিস্টি জাতীয় খাবার তৈরি করে বিক্রি করে আর আমি ভ্যান চালক । আমার সংসার চালাতে খুব কস্ট হয় । কোন রকমে বেঁচে আছি । আঁশে পাশের সবাই জানে । এই অভাবের সংসারে মেম্বার- চেয়ারম্যানের কাছে অনেকবার বলেছি আমার বয়স্ক বৃদ্ধ মায়ের জন্য ১ কার্ড , কিন্তু আজও তা পায়নি ।


 আজ আমার মায়ের জন্য পল্লীবিদ্যুত অফিসের স্যাররা নিজের হাতে ত্রিপল দিয়ে বারান্দা ঘিরে দিয়ে চৌকিতে তোষক , লেপ ও শীতের কাপড়সহ মাকে আরও অনেক কিছু দিয়ে যে সাহায্য করলো তাতে আমি খুব খুশী।আমার বৌ , মেয়ে ও ছেলে আমার মায়ের ভালো যত্ন করার চেস্টা করে । সবাই আমার মায়ের জন্য দুয়া করবেন।


Post Top Ad

Responsive Ads Here