![]() |
| আমতলীতে ৬০ জেলেকে বকনা বাছুর, নিহত পরিবার পেল সহায়তা |
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ এবং জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বরগুনার আমতলী উপজেলায় ৬০ জন নিবন্ধিত জেলের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। একই কর্মসূচির আওতায় নিহত দুই জেলের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বকনা বাছুর ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাস।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রাসেল, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফিরোজ আলম, বন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পপি সাহা, আমতলী প্রেসক্লাব সভাপতি রেজাউল করিম এবং উপজেলা সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হায়াতুজ্জামান মিরাজসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর মাধ্যমে জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে যাচাই-বাছাই করে আমতলী উপজেলার ৬০ জন জেলের মধ্যে এসব বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে নিহত দুই জেলে পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। দক্ষিণ-পশ্চিম আমতলী গ্রামের আতাহার খাঁর ছেলে নিবন্ধিত জেলে বেল্লাল এবং আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের চাউলা গ্রামের মো. রমজান আলী খানের ছেলে নিবন্ধিত জেলে লোকমান হোসেন খানের মৃত্যুজনিত কারণে তাদের পরিবারকে অনুদান হিসেবে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জেলেদের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব সহায়তা জেলেদের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে বিকল্প জীবিকা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

