নিউজ ডেক্সঃ
গোল্লাছুট, বৌছি, কানামাছি, সাতচারা, হাডুডু, নৌকা বাইচ, কুতকুত, দাড়িয়া বান্ধা এসব খেলার নাম শুনেনি এমন মানুষ কমই আছে। এসব বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন খেলা।এসব খেলাগুলি এখন শুধু মাএ গল্প হয়ে গেছে। এছাড়াও বাংলার আনাচে কানাচে অসংখ্য খেলা। এসব খেলা এখন বিলুপ্তির পথে। গ্রাম গায়েও ঘুরেও চোখে পড়ে না এসব খেলা। যেন জাদুঘরেই চলে গেছে বাংলার এই ক্রীয়া সংস্কৃতি। কিছু কিছু জায়গায় অবশ্য মাঝে মাঝে স্থানীয় লোকজন আয়োজন করে বাংলার এই গ্রামীন খেলার। তবে স্থায়ী কোন পৃষ্ঠপোসকতা না থাকার কারনে সেই আয়োজনও কমে যাচ্ছে। গ্রামীন খেলাধুলার আলাদা কোন ফেডারেসন না থাকার কারনে একত্রিত হতে পারছেনা তারা। এসব খেলা বাচাতে আলাদা ফেডারেসনের বিকল্প কিছু নাই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে ফাকা জায়গা সংকুচিত হওয়া, স্মাট ফোনে ভিডিও গেমস খেলার কারনে এসব খেলা বিলুপ্তির পথে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ক্রীয়া প্রেমীরা। গ্রামীন খেলাধুলা সম্পর্কে ধারনা আছে এমন শিশুর সংখ্য কম।
শিশুরা তাদের বাবা, দাদা, মা, নানীদের কাছ থেকে শুধু গল্প শুনে
মাত্র। গ্রামীন এসব খেলাধুলা তাদের কাছে হারনো ঐতিহ্য। গোল্লা ছুট,
দাড়িয়া বান্দা, কানামাছি,সাতচারা, মার্বেল, এক্কাদোক্কা সহ গ্রামীন
৪০টি খেলার ২০১৩ সালে বেসরকারি এক এনজিও গবেষনা করে। গবেষনার
রিপোর্টে বেড়িয়ে আসে এসব খেলার নানান উপকারি দিক। শিশুদের মানসিক ও
শারীরিক বিকাশে এসব খেলার বিকল্পে কিছু খুজে পায়নি প্রতিষ্টানটি।
প্রতিটি অভিবাবকেরই দ্বায়িত্ব শিশুদের লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিটি
শিশুকে খেলাধুলায় ব্যাস্ত রাখা। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলার
বিকল্প কিছু নেই। খেলাধুলারে চর্চার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ মনন বিকাশ
গড়ে উঠে।
গোল্লাছুট, বৌছি, কানামাছি, সাতচারা, হাডুডু, নৌকা বাইচ, কুতকুত, দাড়িয়া বান্ধা এসব খেলার নাম শুনেনি এমন মানুষ কমই আছে। এসব বাংলার ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন খেলা।এসব খেলাগুলি এখন শুধু মাএ গল্প হয়ে গেছে। এছাড়াও বাংলার আনাচে কানাচে অসংখ্য খেলা। এসব খেলা এখন বিলুপ্তির পথে। গ্রাম গায়েও ঘুরেও চোখে পড়ে না এসব খেলা। যেন জাদুঘরেই চলে গেছে বাংলার এই ক্রীয়া সংস্কৃতি। কিছু কিছু জায়গায় অবশ্য মাঝে মাঝে স্থানীয় লোকজন আয়োজন করে বাংলার এই গ্রামীন খেলার। তবে স্থায়ী কোন পৃষ্ঠপোসকতা না থাকার কারনে সেই আয়োজনও কমে যাচ্ছে। গ্রামীন খেলাধুলার আলাদা কোন ফেডারেসন না থাকার কারনে একত্রিত হতে পারছেনা তারা। এসব খেলা বাচাতে আলাদা ফেডারেসনের বিকল্প কিছু নাই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে ফাকা জায়গা সংকুচিত হওয়া, স্মাট ফোনে ভিডিও গেমস খেলার কারনে এসব খেলা বিলুপ্তির পথে মনে করেন সংশ্লিষ্ট ক্রীয়া প্রেমীরা। গ্রামীন খেলাধুলা সম্পর্কে ধারনা আছে এমন শিশুর সংখ্য কম।

