আজিজুল ইসলাম সজীব, হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার করাঙ্গী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ইঞ্জিন চালিত ২টাসহ ৫ টি নৌকা জব্ধ ও ৬ জনকে আটক করা হয়। ৩ মাসের ও ২ জনকে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অাটককৃত অারও ৩ নৌকার মালিক অাসামী থাকায় তাদের লিখিত মুচলেকা শর্তসাপেক্ষে রেখে পরে ছেড়ে দেয়া হয়।মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার করাঙ্গী নদীর গোহারুয়া গ্রামের ঘাট থেকে নৌকাসহ তাদেরকে আটক করা হয়।দুর্নীতির অভিযোগ দন্ডপ্রাপ্তরা হল :: উপজেলার বক্তারপুর গ্রামের মো. আফরুজ মিয়া,(৩ মাসের কারাদন্ডপ্রাপ্ত) জসীম উদ্দিন, (৩ মাসের কারাদন্ডপ্রাপ্ত) মো. শাহাবাজ মিয়া, (৩ মাসের কারাদন্ডপ্রাপ্ত) মো. নুরউদ্দিন, (১ মাসের কারাদন্ডপ্রাপ্ত) শাহিদ মিয়া (১ মাসের কারাদন্ডপ্রাপ্ত) এবং মোশাহিদ খাঁনকে ((১ মাসের রাদন্ডপ্রাপ্ত)।
সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত নিত্য নতুন পন্থা অবলম্বন করে প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এসব অবৈধ বাহুবলের করাঙ্গী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে একদল বালু খেকো দুর্নীতি বাঁজ কতিত সরকারি নামধারী কলঙ্কিত লোক ।
দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে বাহুবল উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে করাঙ্গী নদীর উপজেলার গোহারুয়া গ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ টি ইঞ্জিন চালিত নৌকা জব্ধ এবং ৬ বালু ব্যবসায়ী ও ২ শ্রমিককে আটক করা হয়।পরে সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসীম উদ্দিনেরর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে আটককৃতদের মধ্যে ৬ জন বালু ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ২জন শ্রমিককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী সকলেই জরিমানা পরিশোধ করতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
উক্ত অভিযানে সার্বিক সহযোগীতা করেন বাহুবল মডেল থানা পুলিশের একটি দল।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জসীম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের জরিমানা করা হয়েছিল। তারা জরিমানা পরিশোধ করতে না পারায় কারাদন্ড ভোগ করতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

