মো:শাকির আহম্মেদ, শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:শ্রীমঙ্গল ৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার সোহেলকে প্রায়ই পাওয়া যায় না এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। সে নাকি সুদের ব্যবসার কাজে ব্যস্ত থাকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় শ্রীমঙ্গল লচনা এলাকায় শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিস আলীর বড় ভাই আরজত আলী মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় গুতর আহত হলে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাড়াতাড়ি মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইটও) ডা. জয়নাল আবেদিন টিটু অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভারকে ফোন দিলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার বাসায় যোগাযোগ করলে তাকে তারচ বাসায়ও পাওয়া যায়নি। পরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে কেয়ার হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু গুরুতর আহত হওয়ায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা চলছে।
এ ধরনের বহু অভিযোগ আছে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার সোহেলের বিরোদ্ধে। গত কিছু দিন পূর্বে দক্ষিণ ভাড়াউড়া এলাকার রাহুল দেবরায় নামের একজন কলেজ ছাত্রের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়। কিন্তু তার স্বজনরা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রাহুলকে নিতে চাইলে ঐ সময় তাকে খোঁজাখোঁজি করে উপস্থিত সময়ে পাওয়া যায়নি। গত রবিবার শ্রীমঙ্গল ছাত্রলীগের নেতা হিমু অভিযোগ করেন তার চাচা সাইকেল দূর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হলে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করলে এ সময় এই ড্রাইভারকে উপস্থিত সময়ে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইটও) ডা. জয়নাল আবেদিন টিটু জানান, তিনিও এ ব্যাপারে অবগত আছেন, একজন ভাল ড্রাইভার পেলে তাকে সাসপেন্ড করে অন্যজনকে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করবেন বলে জানান।

