মহুয়া জান্নাত মনি,রাঙামাটি প্রতিনিধি:আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে শীতকালীন অথিতি পাখির আগমন ঘঠেছে উল্লেখ্য করে রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জমির উদ্দিন বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে নতুন নতুন প্রার্থীর মুখ দেখা যাচ্ছে। যারা গত ২০০১ সালের নির্বাচনে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল। তাদের আগুন সন্ত্রাসে হাজার হাজার মানুষ আজ ভুক্তভোগী।এবারও আগুন-সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্প্রতি ঢাকা নয়া-পল্টনে পুলিশের গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের মাধ্যমে নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে শনিবার বিকালে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আগামী ৩০ডিসেম্বর নৌকার বিজয় শতভাগ নিশ্চিতে আওয়ামীলীগ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহব্বান জানান।
জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক উদয় শংকর চাকমা বলেন, নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো বিএনপির অভ্যাস। হেলমেট পরা বিএনপির সন্ত্রাসীরা পুলিশের গাড়ির ওপরে উঠে কীভাবে ধ্বংসযজ্ঞ করেছে এবং পুড়িয়েছে তা আপনারা দেখেছেন। বিএনপির এ কার্যকলাপ ২০১৪ সালের আগুন সন্ত্রাসের দৃশ্যগুলো মনে করিয়ে দেয়। গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি-জামায়ত দেশব্যাপী তাÐব চালিয়েছিল। এসময় সমাবেশ থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সভায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, ঢাকার নয়া-পল্টনে পুলিশের গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে বিএনপি ও ছাত্রদল। কিন্তু বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে করে ঘটনার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন। আমরা এই ধরনের মিথ্যাচারের নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ছাত্রলীগ মনে করে বিএনপি,যুবদল ও ছাত্রদল পুলিশের গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করার মাধ্যমে নির্বাচনী পরিবেশকে নষ্ট করছে এবং নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন বানচাল করার জন্যই মূলত রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি আগুন সন্ত্রাস করেছে।
পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, বিএনপি-জামায়াত আবার যদি সন্ত্রাস ও অগ্নি-সংযোগ করে তাহলে কারো নির্দেশের অপেক্ষা না করে মাঠেই প্রতিহত করা হবে বলে হুশিয়ারী দেন তিনি।
এর আগে রাঙামাটির পৌরসভা চত্বর হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে বনরুপায় এসে শেষ হয় এবং সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে শহরের বনরুপা এলাকায় এসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
