নাহিদ হোসেন নাটোর প্রতিনিধি :একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বাতাস বইতে শুরু করেছে লালপুর উপজেলার সর্বত্রই।
কে পাচ্ছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের দলীয় টিকিট ? ইতিমধ্যেই এ নিয়ে শুরু হয়ে গেছে দলের নেতা কর্মী ও সাধারন মানুষের হিসাব নিকাশ। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সাম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড় ঝাঁপ। ছুটেবেড়াচ্ছেন দলীয়নেতা কর্মীদের সমর্থন পাওয়ার আশায় উপজেলার এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্তু। লালপুরের সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রওশন আলম সুরুজ।
রওশন আলম সুরুজ ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। তিনি ছাত্রজীবনে লালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহŸায়ক ও জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন। দলীয় হাইকমান্ড থেকে শুরু করে সাধারন জনগনের সঙ্গে রয়েছে তার খুবই নিবিড় সর্ম্পক। তৃণম‚ল নেতাকর্মীদের সাথেও রয়েছে তার প্রতিদিনের যোগাযোগ। নানা বিভাজন, দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যেও সকল শ্রেনীর মানুষের সঙ্গে সুসর্ম্পক বজায় রেখে চলার এ রাজনীতিকের রয়েছে চমৎকার দক্ষতা।
রওশন আলম সুরুজ বলেন, আমি কোন গ্রæপিং রাজনীতি পছন্দ করিনা। প্রতিহীংসার রাজনীতি থেকে সবসময় দূরে থেকেছি। অতীত এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় তৃণম‚ল নেতাকর্মী তাকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে জনমত জরিপের ভিত্তিতে তার ওপরে আস্থা রেখে তাকেই দলীয় মনোনয়ন প্রদান করবেন। তার বিশ্বাস তিনি নির্বাচনে বিজয় লাভ করে উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থার প্রতিদান দিতে পারবেন। তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার সাথে সাথে সর্ব প্রথম প্রতিহিংসার রাজনীতি দূর করবো। লালপুরের কোন খুন, ধর্ষন, সহিংসতা হতে দেবনা। নারী ও বেকারদের কর্মসংস্থানের দিকে বেশি নজর দিব। আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করবো।

