হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী টেংরাটিলা গ্রামের এইচ এস সি পাশ সাবিনা আক্তার নামের এক প্রেমিকা বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে ৫ দিন ধরে অবস্থান করছে।
ওই প্রেমিকার অবস্থানের সময় থেকে লম্পট প্রেমিক লাপাত্তা হওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় এবং অনিশ্চতায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন প্রেমিকা সাবিনা আক্তার। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার টেংরাটিলা গ্রামের জনৈক তুহিনে সাথে একই গ্রামের পার্শবতী বাড়ীর, প্রাইমারী প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম মাষ্টারের বড় ছেলে তুহিনের সাথে প্রায় তিন বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। তারা বিভিন্ন ভাবে শপথ এর মাধ্যমে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি করে এক পর্যায়ে সাবিনার সাথে তুহিন দৈহিক সর্ম্পকের জড়িয়ে পড়ে।
সম্প্রতি তুহিনের বাবা তাজুল ইসলাম মাষ্টার অন্য জায়গায় পারিবারিক ভাবে ছেলের বিয়ের আলাপ আলোচনা করায় তুহিন সাবিনাকে বলে তুমি আমাকে ভুলে যাও আমি পরিবারের বিরোদ্ধে যেতে পারছি না। এত দিন যা কিছু হয়েছে সব ভুলে যাও, কাউকে কিছু বললে বিপদ হবে। এর পর গত বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে টানা ৫ দিন সাবিনা আক্তার তার প্রেমিককে পাওয়ার আসায় হবু স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান নেয়। সাবিনাকে দেখার সাথে সাথে তুহিন তার বাড়ি থেকে পলায়ন করে নিখোজ রয়েছে।
সাবিনা বলেন আমার পরিবার গরিব বলে আমি শুরুতে তুহিন কে অনেক বাদা
দিয়েছি আমার সাথে প্রেম না করতে। তার পরও জোর করে আমাকে প্রেম করতে বাদ্য করে। তার পরও সে আমাকে না পেলে মরে জাবে বলে আমাকে ভয়ভীতি দেখাতে আমি রাজী হই এখন আমার সাথে ৩ বছর দৌহিক ও শারীরিক সম্পর্ক করে আমার জীবন শেষ করে অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে চায়, গত ৩ বছরে তুহিনের সাথে সম্পকের দেড় শতাদীক প্রমাণ রয়েছে, আমি তার সঠিক বিচার চাই।
এব্যাপারে সুরমা ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশীদ বলেন, বিষয়টি শুনে এলাকার বিশিষ্ট জনকে নিয়ে বসেছি
যেহেতু ছেলে পলাতক রয়েছে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি নাই। তবে সভা থেকে বলা হয়েছে ছেলের পক্ষ ৭ দিনের মধ্যে ছেলেকে বাড়িতে আনতে, সে পর্যন্ত মেয়ে মেয়ের বাড়ি থাকতে। ছেলে আসার পর দু জনের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিব।

