ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী প্রতিনিধি
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এখন জসিমউদ্দীনের কবিতার মত গ্রাম আর দেখা যায় না । কেউ ছেঁড়া কাপড় পরে না, বাংলাদেশে এখন খালি পায়ের মানুষ দেখা যায় না, গ্রামে ছনের চালা দেখা যায় না, বাসি ভাতের জন্য কেউ চিৎকার করে না । সে সব সমস্যা এখন দূর হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে এবং কিছু কিছু সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। এসব শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বের গুণে সম্ভব হয়েছে।
মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশকে বদলে দিতে হলে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা দরকার। শেখ হাসিনা আরও ৫/১০ বছর সময় পেলে পৃথিবীর মানুষ উদাহরণ হিসেবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার নাম বলবে না,বলবে বাংলাদেশের নাম। এ সময় মন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা জনগণের সমর্থন ব্যতিত একদিনও ক্ষমতায় থাকতে চাই না। মানুষ ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ পছন্দ করে না। তাই দলীয় নেতৃবৃন্দকে আরও সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত হতে হবে। বাংলাদেশ আগের তিনটি শিল্প বিল্পব ধরতে পারেনি। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্বের কারণে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরেছে। এর সুফল পেতে হলে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটর এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, সদস্য নূরুল ইসলাম ঠান্ডু, বেগম আখতার জাহান, প্রফেসর মেরিনা জাহান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
ইভিএম মেশিন নিজেই পোলিং এজেন্ট
তিনি আরো বলেন, ইভিএম মেশিনে যে ভোট হয়েছে এর মতো স্বচ্ছ ভোট বাংলাদেশের ইতিহাসে আর হয়নি। ঢাকা সিটি নির্বাচন দেশের শ্রেষ্ঠ নির্বাচনগুলোর মধ্যে একটি। তিনি বলেন, ইভিএম মেশিন প্রত্যেক দলের জন্য পোলিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এ মেশিনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মিললে কারও ভোট দেয়ার সুযোগ নাই। মন্ত্রী আজ সকালে রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুলক হক, মো. আয়েন উদ্দিন, প্রফেসর ডা. মো. মনসুর রহমান, নূরুল ইসলাম ঠান্ডু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল ওয়াদুদ দারা, সাবেক সংসদ সদস্য বেগম আখতার জাহান, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আদিবা আনজুম মিতা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

