চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সচেতনতা শীর্ষক কর্মশালা - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বুধবার, মার্চ ০৪, ২০২০

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে সচেতনতা শীর্ষক কর্মশালা


জেলা প্রতিনধি চাঁপাইনবাবগঞ্জ  : 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিরাপদ আম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে সচেতনতা শীর্ষক  দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়। 


মুজিববর্ষ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নুরুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ  নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট গাজিপুরের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল চন্দ্র সরকার, বাংলাদেশ  নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপ-সচিব আব্দুর রহমান, আঞ্চলিক উদ্যানত্ব গবেষণা কেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ  নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম তাজকির-উজ-জামান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ এজাবুল হক বুলি, কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল্লাহ, আমচাষী ইসমাইল খান শামিম, সিটি প্রেসক্লাব, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি মোঃ  সাজেদুল হক সাজু প্রমুখ। 

সভায় জেলার অর্থনীতিকে মজবুত করতে নিরাপদ আম উৎপাদন এবং আম পরিবহনের সময় মহাসড়কে হয়রানির শিকার যাতে না হয় তার উপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। কর্মশালায় জেলার আমচাষী ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,  এ জেলার আম সুমিষ্ট, যা দেশে-বিদেশে সুনাম রয়েছে। আমের ফলন বাড়াতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগ করবেন না, যাতে  আমগাছটা ক্ষতির মুখে না পড়ে।  সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এ আম শিল্পকে বাঁচাতে হবে। মুজিববর্ষে নিরাপদ আম ভোক্তাদের কাছে পৌছে দেয়া হোক মূল অঙ্গিকার। এ সময় তিনি আমের উন্নয়নেও সকলকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সভাপতি  জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ জেলার প্রধান অর্থকরী ফসল আম এবং ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে আম। খিরসাপাত আম জিআই পণ্য হিসেবে গণ্য হয়েছে। তাই কিভাবে এ জেলার আম নিরাপদভাবে উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ করা যায় সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া আম পাকানো ও আমের মুকুল যাতে ঝরে না যায় সেক্ষেত্রে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে একজন গবেষকের পরামর্শ অনুযায়ী। তাদের পরামর্শ ছাড়া এই রাসায়নিক ব্যবহার না করায় উত্তম। 

এ কর্মশালায় জেলার আমচাষী, আম ব্যবসায়ী, আম গবেষক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা, বণিক ও খাদ্য ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, ভোক্তাসমাজ, গণমাধ্যমকর্মী ও এনজিও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।


Post Top Ad

Responsive Ads Here