নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফরিদপুরের সালথায় গত ৫ এপ্রিল সহিংস ঘটনার মামলায় গত ১৭ জুলাই রাতে গ্রেফতার হন একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সাংবাদিক নুরুল ইসলাম নাহিদ(৩২)। পুলিশের করা ওই মামলার আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নাহিদের নাম আসায় পুলিশ তাকে আটক করে।
জানাযায়, ওই ঘটনার মামলায় আটককৃত আসামীদের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নাহিদের নাম পাওয়ার পর তা যাচাই বাছাই শেষে তাকে আটক করে পুলিশ। প্রথমে তাকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আনা হলেও পরে বিষয়টিতে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখায়।
আটক নাহিদের বাড়ি উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম মজিবর রহমান। তিনি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের সালথা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয় সূত্রে আরো জানাযায়, আটক নাহিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ফরিদপুরের বহুল আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা ম্যানিলন্ডারিং মামলা, অস্ত্র ও হত্যা সহ ১২টি মামলার আসামী বরকত ও রুবেলের সহযোগি হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তারা দুই ভাই গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে নাহিদ পলাতক থাকলেও ইদানিং তিনি এলাকায় এসে আবার বরকত ও রুবেলের সব কিছু দেখভালো করছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রভাব দেখিয়ে সরকারের জমি নাই, ঘর নাই প্রকল্পের দুটি ঘর তার আপন দুই ভাইয়ের নামে বরাদ্ধ নেন। তার দুই ভাই হলেন বড় ভাই রুহুল আমিন ও ছোট রবিউল ইসলাম। তিনি ফেসবুকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে উস্কানি মূলক পোষ্ট দিতেন বিভিন্ন আইডি থেকে বলে জানাযায় প্রশাসনের কথা বলে।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের সালথা থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ আসিকুজ্জামান জানান, সালথায় গত ৫ এপ্রিল সহিংস ঘটনায় পুলিশ যে মামলাটি দায়ের করে ওই মামলার আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নাহিদের নাম বলে। এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্যই তাকে নিয়ে আসা হয় জিঙ্গাসাবাদের জন্য। এরপর এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সব বিষয় ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

