আবু সাঈদ শাকিল,নোয়াখালী প্রতিনিধি :
হয়রানির আরেক নাম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস। এই উপজেলার প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে। উপজেলা নির্বাচন অফিসার আরিফুল ইসলাম দুই মাসে ২/৩ দিন অফিস করেন। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে মানুষের মাঝে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
১৪ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বেলা ১১ টায়ও উপজেলা নির্বাচন অফিসারের উপস্থিতি নেই। ভোটার হতে ইচ্ছুক ও অনেক প্রবাসী জাতীয় পরিচয় পত্রের ভুল সমস্যা সমাধানের জন্য হাজির কিন্তু উপজেলা নির্বাচন অফিসার আরিফুল ইসলাম আসেনি।
এরই মাঝে হয়রানি শিকার ভুক্তভোগী এক মহিলা জানায়,আমার গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে নতুন ভোটার হওয়া খুবই জরুরি। কিন্তু গত দুইমাসে বারবার আসার পরও আমার কাজটি হয়নি। যতবারই এসেছি বলা হয়েছে স্যার নেই,এ সমস্যা,ঐ সমস্যা।
অপর ভুক্তভোগী আবদুর রহমান জানায় ,আমি প্রবাসে যাবো। কাগজপত্র সব ঠিক করে গত দুই মাস আগে অফিসে জামা দিয়েছি তারপরও আমার কাজটি হচ্ছে না এই দুই মাসে আমি ১৫ বার আসছি কিন্তু স্যারের দেখা নাই। অফিসে ঘুরি কিন্তু কখনো কাজ বন্ধ আছে আর কখনো উপজেলা নির্বাচন অফিসার নেই এমন কথায় শুনছি। ভোটার হতে এসে ভোগান্তির আর শেষ নেই। আর এখন বতেছে যাদের প্রবাসে যাওয়ার টিকেট আছে তাদের ছাড়া আর কাউকে ভোটার করা হবে না। এমতাবস্থায় আমরা কি করতে পারি। এনআইডি ছাড়া পাসপোর্ট করতে পারছিনা বিদেশ যাবো কিভাবে।আরেক ভুক্তভোগী নূর নবী জানায়, আমি নাম সংশোধনের জন্য দিয়েছিলাম এক বছর আগে এখনো আমার কাজটি হয়নি। এর জন্য আমি চারশত টাকা ও দিয়েছিলাম।
এছাড়াও অফিসের কম্পিউটারে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির গাফলতির জেরে ভুলভ্রান্তি মূলক নাম ঠিকানা উল্লেখ করায় বর্তমানে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অনেকে। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে এই ভোটার আইডি কার্ড ব্যাবহার করতে গিয়ে জন্ম নিবন্ধনের সাথে মিল না থাকায় হতে হচ্ছে হয়রানির শিকার এমনটিও জানিয়েছেন কিছু ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসার আরিফুল ইসলামের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি গত অক্টোবরে কোম্পানীগঞ্জে দায়িত্ব পেয়েছি। এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনবাগ উপজেলা। সেখানে নির্বাচন চলার কারনে সেখানে থাকতে হয়েছে। এসময় তিনি কবে থেকে এ ভোগান্তি লাগব হতে পারে তা সুনির্দিষ্ট ভাবে না জানাতে পারেন নি।
