রাত ১০টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ: এলজিআরডিমন্ত্রী | সময় সংবাদ - সময় সংবাদ | Popular Bangla News Portal

Breaking

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বৃহস্পতিবার, জুলাই ০৭, ২০২২

রাত ১০টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ: এলজিআরডিমন্ত্রী | সময় সংবাদ

 

"রাত ১০টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ: এলজিআরডিমন্ত্রী | সময় সংবাদ"

নিজস্ব প্রতিবেদক 


স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশুর বর্জ্য রাত ১০টার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে জাইকার কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইউহো হায়াকাওয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এ কথা বলেন।



 

মন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন সকালে পশু কোরবানি দেওয়া শুরু হবে। এরপর থেকেই পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হবে। সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১০টার মধ্যে সব জায়গা থেকেই বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


তিনি আরো বলেন, কোরবানির পশুর হাটের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাসহ দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের জন্য সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এরই মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হয়েছে। সভায় প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের যে দায়িত্ব তা সঠিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।


করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট এবং ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানান এলজিআরডিমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের জন্য গাইডলাইন তৈরি করে দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সেই গাইডলাইন অনুযায়ী পশুর হাট বসবে। হাটে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য যারা আসবে তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। রাস্তার পাশে কোথাও হাট বসবে না।


তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের উদ্যোগে দেশ ডিজিটাল হয়েছে। এর সুফল হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিটি কর্পোরেশন ঈদ উপলক্ষে নগদ টাকা ছাড়াই পশু ক্রয়-বিক্রয়ের প্রোগ্রাম চালু করেছে। ক্রেডিট কার্ড থাকলে পশুর হাটে টাকা না নিলেও চলবে। কার্ড থেকে টাকা বিক্রেতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। 


বৈঠক প্রসঙ্গে এলজিআরডিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এবং মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে মহেশখালীসহ অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপনে অর্থায়নের আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাইকা। ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে মাতারবাড়িতে দুটি প্রকল্প ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ করার প্রস্তাবনা দিয়েছে তারা।




Post Top Ad

Responsive Ads Here