![]() |
| " শেষ মুহূর্তে নওগাঁয় জমে উঠেছে পশুর হাট | সময় সংবাদ" |
নওগাঁ প্রতিনিধি
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে নওগাঁয় জমে উঠেছে পশুর হাট। প্রত্যেক হাটেই ব্যাপক পশুর আমদানি হচ্ছে। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে কিনছেন পছন্দের গরু। কাছাকাছি দাম হলেই ছাড়ছেন বিক্রেতারাও।
সরেজমিনে নওগাঁর আবাদপুকুর, আহসানগঞ্জ, গোবরচাঁপা, সতিহাটসহ বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে বাজারগুলোতে দূর-দূরান্ত থেকে কোরবানির পশু কেনার জন্য আসছেন ক্রেতারা। বাজারে এসে তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দ অনুযায়ী কিনছেন পশু। কেউবা আবার পশু পছন্দ না হওয়ায় ফিরে যাচ্ছেন বাড়িতে।
ক্রেতা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, হাটে প্রচুর গরু আমদানি হয়েছে। পছন্দ হলে গরু কেনেই বাড়ি যাব ইনশাল্লাহ।
আরেক ক্রেতা শামসুল আলম জানান, তারা সাত ভাগে কোরবানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাত ভাগে যে পরিমাণ টাকা উঠেছে তাই দিয়ে পশু কেনার জন্য বাজারে এসেছেন। তবে এ বছর পশুর দাম একটু বেশি।
ঢাকা থেকে আসা পশু ব্যবসায়ী মনসুর আলী বলেন, আমি ঢাকা থেকে প্রতিবছর এ জেলায় কোরবানির পশু কেনার জন্য আসি। এ বছরও গরু-ছাগল কেনার জন্য এসেছি। তিনটি গরু কেনা হয়েছে। আরো কিছু কিনতে হবে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় এসব গরু কিনে থাকি।
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশপশু বিক্রেতা আব্দুল কুদ্দুস বলেন, হাটে তিনটি গরু নিয়ে এসেছি দুটি ষাঁড় ও একটি বলদ গরু। ভালো দাম পেয়ে একটি ষাঁড় বিক্রি করেছি। তবে কেনার চাইতে দেখার মানুষ বেশি। এ জেলার বেশির ভাগ পশু সিলেটে যেতো কিন্তু সেখানে বন্যার কারণে এবার পশুর চাহিদা কমেছে।
আরেক পশু বিক্রেতা মোস্তফা বলেন, এবার হাটে পশু আমদানি বেশি। সেই তুলনায় ক্রেতা পাওয়া খুব মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য,পশু কেনাবেচার জন্য জেলায় স্থায়ীভাবে ২৮টি পশুর হাট রয়েছে। এরমধ্যে নওগাঁ পৌরসভাসহ সদর উপজেলায় দুটি, আত্রাইয়ে একটি, রাণীনগরে দুটি, মান্দায় পাঁচটি, ধামইরহাটে একটি, পতœীতলায় তিনটি, পোরশায় দুটি, সাপাহারে তিনটি, নিয়ামতপুরে চারটি, বদলগাছীতে দুটি এবং মহাদেবপুরে তিনটি করে পশুর হাট বসে।

