জাহাঙ্গীর আলম, টাঙ্গাইল
‘আশ্রয়নের অধিকার শেখ হাসিনার উপহার’, এই শ্লোগানে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবধানে আশ্রয়ণ কেন্দ্রটিতে ৪০টি পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক সদস্য মানবেতর জীবন যাপন করছে।
২০০১ সালে সেনাবাহিনী শৈলকুড়িয়া গ্রামে আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি নির্মাণ করে। সেখানে যমুনা, পদ্মা, মেঘনা ও ধলেশ্বরী নামে চারটি স্থাপনা রয়েছে। প্রতিটিতে রয়েছে ১০টি করে কক্ষ। এগুলোর মেঝে মাটির, বেড়া ও চাল টিনের।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরগুলোর টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে। ঘরের ভেতর থেকে উপরের দিকে তাকালে আকাশ দেখা যাচ্ছে। চাল আটকে রাখার জন্য ব্যবহৃত কাঠ (রুয়া) পচে নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় ঘরে পানি পড়ে। বৃষ্টির পানি থেকে রেহাই পেতে পলিথিন টানানো হয়েছে। এছাড়া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের জন্য একমাত্র বিনোদন কেন্দ্রটির (কমিউনিটি সেন্টার) চাল, দরজা-জানালা ভেঙে গেছে। ভেতরে ভাঙা চেয়ার-টেবিল পড়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে লাউহাটী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম খান জানান, আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দারা বহু কষ্ট করে বসবাস করছেন। ওই ঘরগুলো সংস্কার করা জরুরি। ঝড়-বৃষ্টির সময় তাদের দুর্ভোগের সীমা নেই।
এ বিষয়ে দেলদুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, সম্প্রতি তিনি আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। সংস্কার করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে দিয়ে ব্যয় প্রাক্কলন তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ফাইল পাঠানো হয়েছে। ঘরগুলো মেরামতের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রের বাসিন্দারা দ্রুতই সহযোগীতা পাবে। পাশে একটি পুকুর খননেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

