আজিজুল ইসলাম সজীব,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি- হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরাঙ্গেরচক গ্রামে পরিবারিক বিরোধের জেরধরে রোজিনা আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধুকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের ভাসুরের স্ত্রী সালমা আক্তারকে সন্দেহ হলে জিজ্ঞেসাবাদ করার জন্য আটক করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।নিহত রোজিনা আক্তার ওই গ্রামের শামীম মিয়ার স্ত্রী।বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
পরে রাতে এলাকাবাসীর মাধ্যমে খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই শাহিদ মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশের ছুরতহাল করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এসআই শাহিদ মিয়া জানান নিহত রুজিনার শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং গলায় দাগ রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গলায় চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাবে না।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত রোজিনার সাথে তার ভাসুর আব্দুল ওয়াদুল মিয়ার দীর্ঘদিন যাবত পরিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই জেরধরে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল ওয়াদুদ ও তার ভাই শফিকুল ইসলামের স্ত্রী সালমা আক্তারসহ পরিবারের লোকজন নিহত গৃহবধু রোজিনাকে মারপিট করে।
হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (অপারেশন) প্রজিত কুমার দাশ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসআই শাহিদ মিয়াসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) জিয়াউর রহমানের জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে পরিবারিক বিরোধই এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত রোজিনা আক্তার এর ভাসুরের স্ত্রী
সালমা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আসা করি দ্রুত হত্যাকান্ডের আসল কারণ উদঘাটন হবে। তিনি আরো বলেন হত্যাকান্ডের সাথে যেই জড়িত তাকে আইনের আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

