রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি-
টঙ্গীতীরে বিশ্ব ইজতেমার পর দাওয়াতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করতে জেলা পর্যায়ে চলছিল আঞ্চলিক ইজতেমা। আগামী ২৫, ২৬ ও ২৭ এপ্রিল জামালপুর, শেরপুর ও কুড়িগ্রাম এ ৩ জেলার সমন্বয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর সোনাভরি নদী তীরে হতে যাচ্ছে ২য় বৃহত্তম ইজতেমা।
ভারত বর্ষের দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের অনুসারীদের তত্ববধানে অনুষ্ঠিত হয় এ ইজতেমা। আঞ্চলিক এ ইজতেমা উপলক্ষে দ্বীনের মেহনতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। চলছে দ্বীনে দাওয়াতের কাজ। জোর ও চিল্লার জামাত বের হওয়ার প্রস্তুতিও চলছে। ইজতেমা ময়দানকে প্রস্তুতির জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত তাবলীগী মেহমান এবং সাথে যোগ দিয়েছে সর্ব স্ততের ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিগণ।
রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, ইজতেমাকে স্বার্থক করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে, ইজতেমা ময়দান প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা নিয়োজিত থাকবে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্যানেল চেয়ারম্যান জনাব আলহাজ¦ আজিম উদ্দিন মাষ্টার বলেছেন, “ইজতেমাতে স্বেচ্ছাশ্রম দেওয়ার জন্য অনেকেই এসেছে এবং কয়েকদিন যাবৎ কাজ করছে। টয়লেটের কাজ হচ্ছে, ছামিয়ানা জমা রয়েছে। এখানে জান-মাল দিয়ে সহযোগিতা করছে অনেকেই।”
“শুকলিয়া আদায় করছি। রাজিবপুর উপজেলা এত বড় আয়োজনে ইজতেমা হচ্ছে, সত্যি আমি গর্বিত, যারা আয়োজন করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। কাজ চলছে দেখলাম, ভাল লাগল, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আল্লাহ তাআলার কাছে আহব্বান করছি ২৫, ২৬, ২৭ তারিখ যেন বৃষ্টি না দেন” সাক্ষাতে বলেন, আজিবর রহমান মাষ্টার, রাজিবপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি।
দর্শনার্থীরা রাজিবপুরের মাটিতে এই প্রথম এত বড় ইজতেমা দেখে অভিভ‚ত।
শেরপুর জেলার পক্ষ থেকে ইজতেমা ময়দানের বিদ্যুতের ব্যবস্থা করবে, কুড়িগ্রামের মারকাজের পক্ষ থেকে ইজতেমা পেন্ডেলের যাতীয় কাজ করবে, বিছানার ব্যবস্থা করবে উলিপুর উপজেলা, টয়লেট এর কাজ করবে রৌমারী উপজেলাবাসী, জামালপুর জেলার তত্ববধানে মাইক সার্ভিস দেয়া হবে। সার্বিক দায়িত্বে রাজিবপুর বাসী। এ ছাড়া অজুর খানা ও পানির ব্যবস্থা করবে রাজিবপুর বাসী।
এ ইজতেমায় মুসলমানদের ইমান তাজা এবং শক্তিশালী হবে, আল্লাহর জান্নাত পাওয়া সহজ হবে। এমনটাই আশাকরছেন ইজতেমায় আগত অনেকেই।

