ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দ্বারা ইউএনও'র অফিস কক্ষ ভাংচুর চালানোর অভিযোগ - SHOMOYSANGBAD.COM

শিরোনাম

Thursday, August 08, 2019

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দ্বারা ইউএনও'র অফিস কক্ষ ভাংচুর চালানোর অভিযোগ


ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ লাইলা পারভীন ও তার স্বামী মোঃ আলমগীর হোসেন সহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন দ্বারা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামানের কক্ষ ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  

 

বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সারে এগারোটার সময় এঘটনা ঘটে। এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী কাম-মুদ্রক্ষরিক উকিল হোসেনকে শারীরিক লাঞ্চিত সহ প্রয়োজনীয় ফাইল পত্র রেজিস্ট্রার বহি চেক বিলুপ্ত করার অভিযোগ করেছেন ওই অফিস সহকারী।
 

অফিস সহকারী কাম-মুদ্রক্ষরিক উকিল হোসেন বলেন, সকালে স্যারের রুমের ভিতরে ঢুকে আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ লাইলা পারভীন ও তার স্বামী মোঃ আলমগীর হোসেন সহ আরো অজ্ঞাত ৮/১০ জন পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ভ্রমন বিলের চেক স্বাক্ষরের নাম করে প্রয়োজনীয় ফাইল পত্র রেজিস্ট্রার বহি চেক বিলুপ্ত ছিড়ে ফেলেন। আমি এ কাজে বাধা দিলে তারা আমার উপর হামলা চালায়। পরে তাদের সাথে যোগ দেয় আরেক ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন স্যার এ সময় অফিসে ছিলেন না। তিনি জেলা আইন শৃংখলা মিটিংয়ে যোগ দিতে ফরিদপুর ছিলেন।
 

এ ঘটনার ব্যাপারে উকিল হোসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
 


ঘটনার ব্যাপারে ভাইস চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমার ব্যাপারে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। হল রুমে মিটিং করার সময় শোরগোলের কথা শুনে আমি সেখানে যায়। তখন উকিল আমাকে বলে আমার সাথে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের মারধরের ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ লাইলা পারভীন আহত হয়ে আলফাডাঙ্গা উপজেলা কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
 

এদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ লাইলা পারভীনের স্বামী মোঃ আলমগীর হোসেনের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি।  
 

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমসাদুজ্জামান বলেন, এ ঘটনা আমি জানতে পেরে তৎক্ষনাত ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক স্যার কে অবগত করেছি।
 

এ বিষয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, আমি ঘটনা জানার সাথে সাথে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি) মুবাশ্বর হাসান কে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। তদন্ত পূর্বক তিনি প্রতিবেদন দাখিল করিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

No comments:

Post a Comment