হাফিজুর রহমান//
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ২০১৯ ইং শিক্ষা বর্ষের জেএসসি ও জেডিসির ফল প্রকাশিত হয়েছে। ফল প্রকাশে ধনবাড়ী উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশানুরূপ ফলাফল করতে পারিনি শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ সচেতনমহল। জেএসসি ও জেডিসির ফলাফল বিপর্যয় হওয়ায় এতে করে দায়ী করছেন বিভিন্ন ধনবাড়ী উপজেলায় ব্যাঙের ছাতারমত গডে ওঠা বিভিন্ন কোচিং প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান গুলোকে।
এবছর ধনবাড়ী উপজেলার মধ্যে সবোর্চ্চ ফলাফল লাভ করেছে ধনবাড়ী কলেজিয়েট সরকারী মডেল স্কুল। কলেজিয়েট মডেল স্কুল থেকে এপ্লাস পেয়েছে ১৪ জন। কদমতলী বহুমূকী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ জন। ধনবাড়ী সরকারী নওয়াব ইনস্টিটিউশনে ৪ জন। ভাইঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, মুশুদ্দি আফাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ জন। শাপলা আইডিয়াল স্কুলে ২ জন, নল্যা মমতাজ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ জন।
ধনবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মতিউর রহমান খান জানান, এবছর ধনবাড়ী উপজেলায় জেএসসি তে পরীক্ষার্থী ছিলো ২৬৬৫ জন,পাশ করেছে ২২৬৪ জন, এ প্লাস পেয়েছে ২৮ জন, ফেল করেছে ৪০১ জন, শতকরা পাশের হার ৮৪. ৯৫। জেডিসিতে পরীক্ষার্থী ছিলো ৩৬৯ জন,পাশ করেছে ৩০৫ জন, এ প্লাস পেয়েছে বীরতারা ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার ২ জন, ফেল করেছে ৬৪ জন, শতকরা পাশের হার ৮২. ৬৬।
ব্যাঙের ছাতার মত গডে ওঠা প্রাইভেট কোচিং প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধনবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মতিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি আরো জানান, প্রাইভেট কোচিং কেজি প্রি-ক্যাডেট প্রতিষ্ঠান ৬ষ্ঠ শ্রেনী থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করার কোন সরকারী কোন বিধি মালা নেই। তারা সরকারী নিয়ম নীতি কে উপেক্ষা করেই এ কাজ গুলো করে যাচ্ছে এতে করে সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর উপর প্রভাব পড়ছে। তবে তারা স্থানীয় প্রভাব শালী মহলের ছত্র ছায়ায় এবং কী কিছু সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিছু কোচিং বানিজ্যকারী শিক্ষক জড়িত থাকার কারনে এধরনের কাজ করে যাচ্ছে। আমি ইউএনও মহোদয়ের সাথে কথা বলে ২০২০ সালে নতুন বছরে ধনবাড়ী উপজেলায় যে সকল কেজি কোচিং প্রি-ক্যাডেট স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ দান করাচ্ছে তাহা বন্ধে প্রশাসনিক ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

